বন্যার্তদের পাশে প্রযুক্তি খাতের ই-ক্যাব, বেসিস, বাক্কো, মিয়া ও বন্ধুর বন্ধন

২৬ আগষ্ট, ২০২৪ ২১:৩৯  

বন্যাদুর্গত বানভাসি অসহায় মানুষদের সহায়তায় নিরবে কাজ করে যাচ্ছে দেশের আইসিটি খাতের সংগঠনগুলো। শুরু থেকেই উদ্ধার কাজে ই-ক্যাব, বন্যাদুর্তদের সহায়তায় বেসিস ও বাক্কো এবং মিরপুর আইএসপি অ্যালায়েন্স (মিয়া) অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।

এর মধ্যে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিলে সদস্যদের এক মাসের চাঁদা দিয়েছে মিয়া। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পূনর্বাসনেও এই সংগঠনের সদস্যরা জাতীয় প্রয়োজনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার আক্রান্ত ব্যবসায়ীদের পাশেও থাকবেন। এই দুর্যোগের প্রথম ধাক্কায় ইন্টারনেটে ব্যবসায়ীদের সংগঠন আইএসপিএবি’র কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান না হলেও সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল করিম ভূইয়া’র ‘বন্ধুর বন্ধন বাংলাদেশ’ ছিলো এক ধাপ এগিয়ে। শুরুতেই সংগঠনটি ফেনীতের জেনারেটর দিয়ে মোবাইল চার্জ, ব্রডব্যান্ডে ফ্রি লাইন ও মোমবাতি বিতরণ করে। পরের ৫ দিন খাবারের প্যাকেট সরবরাহ করেছে।

আর ২২ আগষ্ট ও ২৩ আগষ্ট মিলিয়ে ৬টি স্পিড বোড ও ৩টি টলার নিয়ে দুর্ঘটনার রাতেই ফেনীর ফুলগাজী, পশুরামে কার্যক্রম চালিয়েছে ই-ক্যাব প্রতিনিধিরা। ফেনীর ফুলগাজী, পশুরাম, সোনাগাজী, নোয়াখালী ও কুমিল্লায় ছয় দিনে মোট ১৪ হাজার ৮০০ প্যাকেট ত্রাণ সরবরাহ করেছে। এরমধ্যে নোয়াখালীতে ৪ হাজার, ফেনীতে ৭৭০০ প্যাকেট, কুমিল্লায় ২২০০ প্যাকেট, চৌদ্দগ্রামে ১০০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রীয় দিয়েছে।

এছাড়াও বিগত ৭২ ঘণ্টায় বন্যাকবলিত এলাকার ১৯০০ পরিবারের জন্য খাবার প্যাকেট ও ৪০০ পানির জার সরবরাহ করেছে বেসিস। দুর্গতদের জন্য এই সহায়তাগুলো দেয়া হয়েছে বৈষ্যম্য বিরোধী ত্রাণকর্মসূচি, সেনাবাহিনী, আস্সুন্নাহ ও মাস্তুল ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে।

একইভাবে ফেনী, কুমিল্লা ও নোয়াখালী সহ বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যার্তদের কঠিন সময়ে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে তিন দিন সেনা বাহিনী, বিমান বাহিনী ও ফেনীর ত্রাণ সমন্বয়কদের কাছে শুকনা খাবার ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কনট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)। বাক্কো জানিয়েছে, সকল সদস্যদের সহযোগিতায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়াতে মোট ৩০০টি পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সামগ্রী হিসেবে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য ঔষধ, বিশুদ্ধ পানি, শুকনা খাবার ।